আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে আমরা সাংগঠনিকভাবে পদক্ষেপ নিয়েছি। অনেক ক্ষেত্রে তাদেরকে ডেকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলশানে দলের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিএনপির মতো একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের অনেক প্রার্থী থাকে, যাদের প্রত্যাশা থাকে, হয়ত তারা তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী মনোনয়ন পায়নি। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থে সংসদে বহু দলের প্রতিনিধিত্ব রাখতে হয়ত আমরা আমাদের অনেক যোগ্য প্রার্থীকেও বঞ্চিত করে ফেলছি। সুতরাং তাদের মনের কথা আছে, সেক্ষেত্রে কিছু কিছু বিষয়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমরা তাদেরকে বুঝিয়ে শান্ত রাখার চেষ্টা করছি। আশা করি এসব বিষয়ে খুব শিগগিরই মীমাংসা হয়ে যাবে।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলে সফরের সময় কোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে না জানিয়ে বিএনপির এই নীতিনির্ধারক আরো বলেন, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা এবং তাদের কবর জিয়ারত করা এটা জাতির প্রত্যাশা। গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আমরা ধারণ করি। এবং আমাদের সেই চেতনাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে হবে। সেজন্যই তার সেখানে যাওয়া। এখানে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো বিষয় নেই।
তিনি বলেন, আমরা সবাইকে অনুরোধ করব, ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানকে যেন প্রশ্নবিদ্ধ না করি। শহীদদের আত্মত্যাগকে যেন আরো মহিমান্বিত করি জাতীয় পর্যায়ে। আমাদের দেশের মেজর পলিটিক্যাল পার্টি হিসেবে এবং তার চূড়ান্ত নেতৃত্ব হিসেবে তারেক রহমান যদি গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের কবর জিয়ারত করেন এবং সেখানে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এটা এই অভ্যুত্থানকে ধারণ করা হবে। জাতির প্রত্যাশাকে ধারণ করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।