বৃহঃস্পতিবার, ৮ই জানুয়ারী ২০২৬, ২৪শে পৌষ ১৪৩২


হাড় হিম করা ঠান্ডায় কাঁপছে দেশ


প্রকাশিত:
৬ জানুয়ারী ২০২৬ ১০:২৯

আপডেট:
৮ জানুয়ারী ২০২৬ ০৫:৫২

ছবি : সংগৃহীত

সারাদেশে শীতের প্রকোপ তীব্র আকার ধারণ করেছে। কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা অনেকটা কমে গেছে। কিছু জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ। এমন হাড় হিম করা শীতের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মানুষকে। উপায় না পেয়ে শীত উপেক্ষা করেই দৈনন্দিন কাজকর্ম চালাচ্ছেন মানুষ।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের কারণে দিনের তাপমাত্রা কিছু জেলায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমেছে। উত্তরাঞ্চল ও ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুরের মতো এলাকায় তাপমাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শীতের এমন তীব্রতা আরো কয়েকদিন থাকতে পারে।

তীব্র শীতের কারণে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উপস্থিতি কমেছে। রাস্তাঘাটে মানুষের সংখ্যাও আগের মতো নেই। যারা বাইরে বের হচ্ছেন, তারা শীত থেকে রক্ষা পেতে মোজা, গরম জামা-কাপড় পরছেন।

দেশের বিভিন্ন জেলা প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইতোমধ্যে শীতার্তদের জন্য কম্বল ও গরম পোশাকের ব্যবস্থা করছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ভোর ছয়টায় এই জেলায় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাজশাহীতে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। অর্থাৎ একদিনে তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, জানুয়ারি মাসে আরো একাধিক শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে।

এদিকে তীব্র শীতের কারণে শীতকালীন রোগের প্রাদুর্ভাবও বেড়েছে। জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোতে জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ নিয়ে ভিড় করছেন রোগীরা। বেশিরভাগই শিশু ও বয়োবৃদ্ধ।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, তীব্র শীত এবং কুয়াশা জনজীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। বয়স্ক, শিশু ও অসুস্থদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে বাড়ি থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগও শীতজনিত রোগ যেমন সর্দি, কাশি ও নিউমোনিয়া থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত গরম পানি পান, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

রাজধানীর শিশু হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘তীব্র শীতের কারণে নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস ও ঠান্ডা-কাশির রোগী বেশি আসছে। বিশেষ করে শিশুদের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি।’



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top