বৃহস্পতিবার, ১১ই জুন ২০২৬, ২৭শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ফাইল ছবি
ঈদের পর দেশের স্বর্ণবাজারে পতনের ধারা অব্যাহত আছে। মাত্র আট দিনের ব্যবধানে তিন দফায় ১২০৭৩ টাকা কমানো হয়েছে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক ধাক্কায় ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), যা আজ সকাল থেকেই কার্যকর হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সর্বশেষ গত ৬ জুন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
তারও আগে ঈদের পাঁচ দিন পর ২ জুন ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৭২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৩৭ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩৫ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।