মঙ্গলবার, ৭ই এপ্রিল ২০২৬, ২৪শে চৈত্র ১৪৩২
ছবি সংগৃহীত
গত ১৮ মাসে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে নতুন করে আরও প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। যা ২০১৭ সালের পর সর্বোচ্চ রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রবেশের ঘটনা।
শুক্রবার (১১ জুলাই) জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বাবার বালোচ জেনেভায় এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, মিয়ানমারে নতুন করে সহিংসতা বাড়ায় বাড়িঘর ছেড়ে এসব মানুষ বাংলাদেশে চলে আসছেন।
বাবার সাংবাদিকদের বলেন, “রাখাইন রাজ্যে নিপীড়ন ও টার্গেট করে হামলা এবং মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের কারণে হাজার হাজার মানুষ এখনো নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশে পালিয়ে আসছেন।
তিনি জানিয়েছেন, নতুন এ দেড় লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারে আশ্রয় চেয়েছেন। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প আগে থেকেই জনবহুল ছিল। এখন সেখানকার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইনের মুসলিমদের ওপর গণহত্যা শুরু করে। ওই গণহত্যা থেকে বাঁচতে ৭ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন।
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য জাতিসংঘের এ কর্মকর্তা বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “বিশাল চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, বাংলাদেশ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে আসছে।”
এদিকে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান এবং তাদের নিজ ভূমিতে ফেরত পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বৈশ্বিক সহায়তা বৃদ্ধির আবেদন জানিয়ে আসছে আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থাগুলো।
সূত্র: আউটলুক
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)