বৃহঃস্পতিবার, ৮ই জানুয়ারী ২০২৬, ২৪শে পৌষ ১৪৩২


এসব চেনা খাবারেই লুকিয়ে আছে চিনি, অজান্তে খাচ্ছেন না তো?


প্রকাশিত:
৬ জানুয়ারী ২০২৬ ১৭:০৯

আপডেট:
৮ জানুয়ারী ২০২৬ ০১:৫১

ছবি : সংগৃহীত

রোজকার ডায়েটে শর্করার অন্যতম উৎস বাজারজাত চিনি। আর চিনি বেশি খেলে বাড়ে ক্যালোরি। ফলে বৃদ্ধি পায় ওজনও। কিন্তু বর্তমানে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতন। বাজারে পাওয়া যায় এমন একাধিক খাবারেও লুকিয়ে থাকে চিনি। পরিচিত এমন অনেক খাবার রয়েছে যার মধ্যে চিনি আছে কি না তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। ফলে অজান্তেই বাড়তে থাকে ক্যালোরি।

জেনে নিন, চিনি খাওয়া বাদ দিতে চাইলে খাবারের তালিকা থেকে পরিচিত কোন খাবারগুলো বাদ দিতে হবে-

১. কর্নফ্লেক্স, ইনস্ট্যান্ট ওটস
প্রাতরাশে অনেকেই নিয়মিত কর্নফ্লেক্স, মুসলি, গ্র্যানোলা বার, ইনস্ট্যান্ট ওটস মিক্স খান। এগুলো সব খাবারেই ভরপুর মাত্রায় চিনি থাকে, যা খেলে রক্তের শর্করার মাত্রা এক লাফে অনেকটা বেড়ে যায়। আর দিনের শুরুতে অতিরিক্ত চিনি খেলে সারা দিন মিষ্টি খাওয়া প্রবণতা বেড়ে যায়।

২. ফ্লেভারড ইয়োগার্ট
দইয়ের মতো ইয়োগার্টও এখন সহজে বাজারে পাওয়া যায়। নানা স্বাদের ইয়োগার্ট পাওয়া যায়। কিন্তু এসবের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। আপনি যদি চিনি ছাড়ার মিশনে থাকেন তাহলে চিনি ছাড়া দই বা ইয়োগার্ট খাওয়ার অভ্যাস করুন।

৩. টমেটো সস
ভাজাভুজির সঙ্গে টমেটো সস না হলে জমেই না। কিন্তু সস তৈরির সময় এর স্বাদ বাড়ানোর জন্য অস্বাস্থ্যকর চিনি ব্যবহার করা হয়। কেবল টমেটো নয়, পিৎজা-পাস্তা সস, টেরিয়াকি সস, সালাদ ড্রেসিং, বারবিকিউ সসেও ভালো মাত্রায় চিনি থাকে। তাই সস কেনার আগে সচেতন থাকুন।

৪. প্যাকেটজাত ফলের জুস
প্যাকেটজাত ফলের রস, স্মুদিতে অনেক সময়ই ‘জিরো সুগার’ লেখা থাকে। তা সত্ত্বেও এর মধ্যে অল্প পরিমাণে চিনি থাকতে পারে। তাই এসব খাবার এড়িয়ে চলুন। বাড়িতে টাটকা ফলের রস, স্মুদি বানিয়ে খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। তরল রূপে চিনি লিভারের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে।

৫. প্রোটিন বার, ফ্লেভারড মাখানা
বাজারে ‘স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস’-এর নামে প্রোটিন বার, বেকড চিপস, ফ্লেভারড মাখানার মতো বিকল্প রয়েছে। এগুলো কিন্তু আদতে স্বাস্থ্যকর নয়। এসব খাবারেও চিনি মেশানো থাকে।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top