বুধবার, ১৩ই মে ২০২৬, ৩০শে বৈশাখ ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
আধুনিক, জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশ বাহিনী গঠনের দৃঢ় প্রত্যয় পুনর্ব্যক্তের মধ্য দিয়ে শেষ হলো পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬। বর্ণাঢ্য আয়োজন এবং জনসেবামুখী বহুমাত্রিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে চার দিনব্যাপী এ আয়োজন বুধবার শেষ হয়েছে।
‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে পুলিশ সপ্তাহের চতুর্থ ও শেষ দিন আজ বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলন।
আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন। একইসঙ্গে কর্মরত কর্মকর্তারাও পুলিশের আধুনিকায়ন, পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনমুখী পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর মতামত ব্যক্ত করেন। এর মধ্য দিয়েই শেষ হয় এবারের পুলিশ সপ্তাহের নানা আনুষ্ঠানিকতা।
পুলিশ সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মঅধিবেশনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, সাইবার নিরাপত্তা জোরদারকরণ, মাদকবিরোধী কার্যক্রম, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, কমিউনিটি পুলিশিং এবং জনসেবার মানোন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে জনগণের আস্থা ও সম্পৃক্ততা বাড়িয়ে পুলিশ-জনতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১০ মে বার্ষিক পুলিশ প্যারেড পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করে পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন করেন। তিনি পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন।
এছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা বাংলাদেশ পুলিশকে আরও আধুনিক, দক্ষ ও জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইজিপির একাধিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসব সম্মেলনে পুলিশ কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ, সেবার মানোন্নয়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
পুলিশ সপ্তাহের প্রতিটি কর্মঅধিবেশন ছিল প্রাণবন্ত ও অংশগ্রহণমূলক। মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অধিবেশনগুলোকে আরও ফলপ্রসূ ও বাস্তবমুখী করে তোলে।