shomoynew_wp969 এপ্রিলে নির্বাচনের আশ্বাস ’এপ্রিল ফুল’ হওয়ার শঙ্কা ১২ দলের | রাজনীতি | Daily Mail | Popular Online News Portal in Bangladesh

বৃহঃস্পতিবার, ৫ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩শে মাঘ ১৪৩২


এপ্রিলে নির্বাচনের আশ্বাস ’এপ্রিল ফুল’ হওয়ার শঙ্কা ১২ দলের


প্রকাশিত:
৭ জুন ২০২৫ ০৯:৫৮

আপডেট:
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫০

ছবি সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা আগামী এপ্রিল মাসের শুরুতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যে আশ্বাস দিয়েছেন এর ওপর আস্থা রাখতে পারছে না বিএনপির সমমনা ১২ দলীয় জোট। তারা মনে করছে, সরকারের এই আশ্বাস ‘এপ্রিল ফুল’ (এপ্রিলের বোকা) হতে পারে।

শনিবার (৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ১২ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে এই শঙ্কার কথা জানানো হয়।

বিবৃতিতে ১২ দলীয় জোটের নেতারা বলেন, দেশের সব গণতান্ত্রিক দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চেয়েছে। দেশের জনগণ ভোটের অধিকার ফিরে পেতে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে বিদায় করেছে। কোনোভাবে ‘এপ্রিল ফুলের’ শিকার হওয়ার জন্য নয়। এ বছরের ডিসেম্বরে কেবল একটি দল নয়, দেশের সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন চায়। এপ্রিলে নির্বাচন হওয়ার কথাটি এপ্রিল ফুল হতে পারে। সে সময় শিক্ষার্থীদের সাধারণ পরীক্ষা থাকে, আবহাওয়া নির্বাচনেরর পরিবেশের অনুকূল থাকে না। সুতরাং, রাজনৈতিক ও গণদাবি মেনে ডিসেম্বরেই নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনকেও সেই প্রস্তুতি নিতে হবে।

বিবৃতিতে তারা বলেন, এপ্রিলে নির্বাচন মানে রমজানের কিছুদিন পর। সুতরাং রমজানে নির্বাচনের কাজ করার সুযোগ নেই। আবহাওয়ার অবস্থাও থাকবে অনিশ্চিত। একদিকে কালবৈশাখী, একদিকে চৈত্রের খরা। পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— কাকে খুশি করার জন্য অধ্যাপক ইউনূস ডিসেম্বর থেকে সরিয়ে এপ্রিলে নির্বাচন করতে চাইছেন।

চট্টগ্রাম বন্দর ও করিডোর প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের সমালোচনা করে ১২ দলীয় জোটের নেতারা বলেন, এই বক্তব্য স্পষ্টত সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি দিতে পারেন না। ড. ইউনূস সরকারপ্রধান হিসেবে নিজের যোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলেছেন। দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনার প্রথম দাবিদার দেশের মানুষ। দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে, কাদের দিয়ে ব্যবস্থাপনা করা হবে। তার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রশ্ন উঠল, আদৌ প্রফেসর ইউনূস বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন কি না।

নেতারা আরও বলেন, ঈদের পর তার বক্তব্যের বিষয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তিনি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন কি না, সে বিষয়টিও দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে।

আগামী ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচন করা সম্ভব জানিয়ে তারা বলেন, দেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও নানাভাবে বিষয়টি সামনে এসেছে। আমরা চাই, দেশের জনগণের দীর্ঘদিনের চাওয়া তিনি পূরণ করবেন।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন ১২ দলীয় জোট প্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, জোটের মুখপাত্র বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, জোটের সমন্বয়ক বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ডক্টর গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপার) সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান লায়ন ফারুক রহমান, কল্যাণ পার্টি চেয়ারম্যান শামসুদ্দীন পারভেজ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রকিব, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবুল কাশেম, নয়া গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি এম এ মান্নান, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল (পিএনপির) চেয়ারম্যান ফিরোজ মো. লিটন।



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


রিসোর্সফুল পল্টন সিটি (১১ তলা) ৫১-৫১/এ, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
মোবাইল: ০১৭১১-৯৫০৫৬২, ০১৯১২-১৬৩৮২২
ইমেইল : editordailymail@gmail.com, newsroom.dailymail@gmail.com
সম্পাদক: মো. জেহাদ হোসেন চৌধুরী

রংধনু মিডিয়া লিমিটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান।

Developed with by
Top