মঙ্গলবার, ২৬শে মে ২০২৬, ১২ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি করার দ্বারপ্রান্তে আছে। আর চুক্তিটি হলে বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ৬০দিন বৃদ্ধি করা হবে। এ সময় ইরান হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করে দেবে। এর বদলে যুক্তরাষ্ট্র তাদে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করে নেবে। এতে করে ইরান কোনো বাধা ছাড়া তাদের তেল বিক্রি করতে পারবে।
চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার পর ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করবে।
আজ রোববার (২৪ মে) সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে এসব তথ্য জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
তিনি বলেছেন, ইরান হরমুজ খুলে দিয়ে সেখান দিয়ে সব জাহাজকে অবাধে চলতে দেবে। এ সময় তারা কোনো টোল আদায় করবে না। এছাড়া হরমুজের যেসব জায়গায় মাইন স্থাপন করা হয়েছে সেগুলোও অপসারণের প্রতিশ্রুতি দেবে তারা।
এছাড়া ইরান কথা দেবে তারা কোনোদিন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না।
চুক্তি হলে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যেও যুদ্ধ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন এ মার্কিন কর্মকর্তা। তবে হিজবুল্লাহ যদি কোনো হামলা বা উস্কানি দেয় তাহলে ইসরায়েলকে হামলার অনুমতি দেওয়া হবে।
আলাদা দুটি সূত্র এক্সিওসকে বলেছেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান মৌখিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করে দেবে এবং সমৃদ্ধকৃত যেসব ইউরেনিয়াম আছে সেগুলো ছেড়ে দেবে।
মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেছেন, তাদের আশা আজকেই চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে।
এক্সিওসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে যেসব দাবি জানাচ্ছে, সেগুলো যদি তেহরান মানে তাহলে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আবারও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ থাকবে। অপরদিকে ইরান অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হতে পারবে।