শনিবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৬, ২১শে চৈত্র ১৪৩২
ছবি : সংগৃহীত
দেশে এ মুহূর্তে হামে আক্রান্ত শিশু ছাড়া ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়স পর্যন্ত সব শিশুকে টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবেশ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (৫ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, দেশে এ মুহূর্তে ছয় মাস থেকে ৫৯ মাস পর্যন্ত আমরা সব শিশুদের এ টিকা দেওয়া হবে। এই বয়সের কোনো শিশু যদি আগে হামের টিকা নিয়ে থাকে তাদেরও এ টিকা দেওয়া হবে। আর যারা এ মুহূর্তে অসুস্থ (হাম কিংবা জ্বর) যারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, তাদের ভিটামিন এ খাওয়ানো হবে।
মন্ত্রী বলেন, আগামীকাল (রোববার) আমরা দেশব্যাপী যেখানে হামের প্রকোপ বেশি এরকম ৩০টি উপজেলায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছি। আমরা ৩০ উপজেলায় হামের টিকা দিয়েই এ কার্যক্রম শেষ করছি না, আমাদের টার্গেট হলো এ মুহূর্তে ৬ থেকে ৫৯ মাস পর্যন্ত দেশে যত শিশু রয়েছে প্রত্যেককেই টিকা নিশ্চিত করবো। কারণ হিসাব করে দেখেছি, এ বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় যে সব শিশু যুক্ত হচ্ছে তাদের ২০২০ সালের ডিসেম্বরে হওয়া দেশব্যাপী ক্যাম্পেইনের পরে জন্ম হয়েছে। তার মানে কনফার্ম এরা টিকা পায়নি। আর নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম থেকে যদি কোনো শিশু টিকা নিয়েও থাকে তারা যদি আবারো মিজেলস্ এর টিকা গ্রহণ করে তাতে কোনো সমস্যা হবে না বলে আমাদের বিভিন্ন সংস্থা ও বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছে।
রোববার থেকে শুরু হওয়া বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির ৩০ উপজেলাগুলো হলো - রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাটোর সদর এবং যশোর সদর।
আপনার মতামত দিন:
(মন্তব্য পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।)