সোমবার, ১১ই মে ২০২৬, ২৮শে বৈশাখ ১৪৩৩
ফাইল ছবি
মা হওয়ার পরবর্তী শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ এবং সেই সময়ে অভিনেতা স্বামী সিদ্ধার্থ মালহোত্রার নিরবচ্ছিন্ন সমর্থনের কথা জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। সম্প্রতি এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে কিয়ারা জানান, মা হওয়ার পর হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে তিনি অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন এবং যেকোনো ছোট বিষয়েই তার কান্না পেত।
রাজ শামানির পডকাস্টে কিয়ারা জানান, গত বছরের জুলাইয়ে কন্যাসন্তান সারায়ার জন্মের পর তিনি মানসিকভাবে বেশ অস্থির সময় পার করছিলেন। সে সময় সিদ্ধার্থ তার নতুন সিনেমার প্রচারণায় ব্যস্ত থাকলেও প্রতিদিন গভীর রাতে বাসায় ফিরে কিয়ারা ও সন্তানের পাশে থাকতেন।
কিয়ারা বলেন, সেই সময়ে আমার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। যেকোনো তুচ্ছ ঘটনায় আমি কেঁদে ফেলতাম। হয়তো তাকে (সিদ্ধার্থ) সারাদিন কাছে না পাওয়ার কারণে এমনটা হতো।
কিয়ারা আরও জানান, তাদের সন্তানের চিকিৎসকের পরামর্শে সিদ্ধার্থ প্রতিদিন রাতে তাকে গাড়িতে করে ঘুরতে নিয়ে যেতেন। কিয়ারার ভাষ্যমতে, চিকিৎসক সিদ্ধার্থকে বলেছিলেন আমাকে প্রতিদিন রাতে ড্রাইভএ নিয়ে যেতে যাতে আমি বাইরের মুক্ত বাতাস নিতে পারি। কারণ সারাদিন বাচ্চাকে খাওয়ানো আর ঘুমানোর রুটিনে আমি হাঁপিয়ে উঠতাম। সিদ্ধার্থ আমাকে শুধু সঙ্গই দেয়নি, বরং কোনো উপদেশ না দিয়ে ধৈর্য ধরে আমার সব কথা শুনত।
মা হওয়ার মাত্র পাঁচ মাস পর গত ডিসেম্বরেই কাজে ফেরেন কিয়ারা আদভানি। জানান, অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন সাত মাস তিনি ‘টক্সিক’ সিনেমার শুটিং করেছেন, যার মধ্যে বেশ কিছু কঠিন অ্যাকশন দৃশ্যও ছিল।
২০২৫ সালের ১৫ জুলাই কন্যাসন্তান সারায়ার জন্ম দেন এই তারকা দম্পতি। কিয়ারা ও সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।