রবিবার, ১০ই মে ২০২৬, ২৭শে বৈশাখ ১৪৩৩
ছবি সংগৃহীত
বলিউডে প্রতিষ্ঠিত হতে শুধুই যে প্রতিভার দরকার তা শুধু নয়। দরকার প্রচুর সহ্যশক্তি, ধৈর্য্যেরও। বলিউডে পথ চলা খুবই কঠিন, কাস্টিং কাউচের শিকার বা পরিচালক-প্রযোজকদের কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব পান নি, এমন অভিনেত্রীদের তালিকা খুব কম।
অভিনেত্রীরা নিজেদের ক্যারিয়ার ধসে যাওয়ার জন্যে প্রকাশ্যে আনতে সাহস পাননি অনেক ঘটনা।
এছাড়াও একাধিক অভিনেত্রীরা খ্যাতি পেলেও ক্যারিয়ারের মধ্যআকাশেই বিদায় নিয়েছে বলিউড থেকে। তার মধ্যে একজন বিদেশি অভিনেত্রী নার্গিস ফাকরি। বলিউডে যার আত্মপ্রকাশ অভিনেতা রণবীর কাপুরের ‘রকস্টার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। তবে বহুদিন হলো বলিউডে তাঁর দেখা মিলছে না।
সম্প্রতি বলিউডে নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন নার্গিস। জানালেন, বলিউড তাঁকে ‘হতাশাগ্রস্ত’ করে রেখেছিল। রকস্টার ছাড়াও মাদ্রাজ ক্যাফে, ম্যায় তেরা হিরো, আজহার এবং হাউসফুল থ্রি-এর মতো একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন নার্গিস। তাঁর অভিনয়ও প্রশংসনীয়।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে নার্গিস বলেছিলেন যে, বলিউড থেকে তাঁকে ‘অপরিপক্ক’ বলা হয়েছিল। কারণ তিনি যাঁদের সঙ্গে কথোপকথনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন না। তিনি ‘খ্যাতি এবং প্রমোদ’-এ আসক্ত নয়। আমি এতটাই সৎ ছিলাম যে, কেউ এটিকে ভালো চোখে দেখেনি।
বলিউডের নিয়ম ছিল, আপনি যদি কারো সঙ্গে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য না পান তাও আপনাকে লোকেদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। আমি তা পারিনি। তাই আমাকে অপরিণত বলা হয়েছিল। আজ, আমি বুঝতে পেরেছি যে বাস্তবে তিনটি মুখ রয়েছে – একটি ব্যবসায়িক মুখ, একটি সৃজনশীল মুখ এবং তারপরে আপনার নিজের মুখ।
তিনি আরও বলেন, আট বছর এবং আমি খুব কমই আমার পরিবারের সঙ্গে থাকতে পেরেছি। বলিউডে এতটাই মানসিক চাপ দেওয়া হতো, যেখানে আমি অসুস্থ বোধ করছিলাম। ফলস্বরূপ, আমি স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হয়েছিল। তাই আমি সুস্থ হওয়ার জন্য দুই বছর ছুটি নিয়েছি।
বর্তমানে নার্গিস বলিউডের প্রজেক্টের পাশাপাশি, নার্গিস হলিউডের হিট স্পাই-এ মেলিসা ম্যাকার্থি, জেসন স্ট্যাথাম এবং জুড ল অভিনীত ছবিতেও অভিনয় করেছেন। এছাড়াও তিনি পবন কল্যাণের হরি হারা ভিরা মাল্লুতেও অভিনয় করেছেন।