বুধবার, ৩রা জুন ২০২৬, ২০শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা হুঁশিয়ারি দিয়েছে এ বছরের এল নিনোটি সবচেয়ে বিপর্যয়কর হতে পারে। যেটিকে বিজ্ঞানীরা সুপার এল নিনো হিসেবে অভিহিত করছেন।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স বুধবার (৩ জুন) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এল নিনোর সঙ্গে সার সংকট, মূল্যস্ফীতি এবং তেলের দাম বৃদ্ধি- সবকিছু বর্তমান দুর্বল খাদ্য শিল্পকে খাদের কিনারায় ঠেলে দিতে পারে। যা শেষ পর্যন্ত বহন করতে হবে সাধারণ মানুষকে।
এল নিনো আবহাওয়ার সাধারণ রুটিনের একটি অংশ। যখন প্রশান্ত মহাসাগরের বাতাস দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সমুদ্রের পানি বা স্রোত উষ্ণ হয় তখন এল নিনো সংঘটিত হয়। এর প্রভাবে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যায়।
কিন্তু সুপার এল নিনোর প্রভাব হতে পারে মারাত্মক। এটি কৃষিপণ্য উৎপাদক, খুচরা বিক্রেতা এবং কৃষকদের লাভের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
আবহাওয়াবিদদের ধারণা, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যে এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হতে যাচ্ছে সেটি বেশ শক্তিশালী রূপ নিতে পারে। চলতি বছরের জুলাই থেকে এই অস্বাভাবিক আবহাওয়া তীব্র হতে শুরু করবে এবং শীতকালে তা চরমে পৌঁছাবে। এরপর ২০২৭ সালের গ্রীষ্মের দিকে এটি দুর্বল হয়ে আসতে পারে। তবে এটির কিছু প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়ে ২০২৭ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত থাকতে পারে। ওই সময়টা হলো ফসল উৎপাদনের সময়। যেহেতু দুটি ফসল উৎপাদন সময় পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব থাকতে পারে; এরফলে ২০২৭ এবং ২০২৮ সালের পণ্যের যোগান ও দামে এটি প্রভাব ফেলবে।
সূত্র: রয়টার্স