বুধবার, ২৭শে মে ২০২৬, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। কোরবানির পশুর হাটে চলছে শেষ মুহূর্তের বেচাকেনা। রাজধানীর বিভিন্ন হাটে ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়লেও এখনো অনেক পশু অবিক্রিত রয়ে গেছে। গত দুই দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টির কারণে অনেক পশু বিক্রি হয়নি বলে জানিয়েছেন ব্যাপারিরা। শেষ মূহুর্তে পশুর দামও অনেক কমেছে।
বুধবার (২৭ মে) বিকালে রাজধানীর কমলাপুর পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে ক্রেতাদের ভিড় থাকলেও অনেক বিক্রেতার মুখে স্বস্তি নেই। বড় ও মাঝারি আকারের বিপুল সংখ্যক গরু এখনো বিক্রি হয়নি। বিশেষ করে সকালে ঝুম বৃষ্টির পর হাটের ভেতরের কাঁচা অংশে পানি জমে যায়। এতে ক্রেতাদের চলাচল যেমন ব্যাহত হয়েছে, তেমনি পশু সামলাতেও হিমশিম খেতে হয়েছে ব্যবসায়ীদের।
কমলাপুর পশুর হাটে ময়মনসিংহ থেকে গরু নিয়ে আসা হারুন বলেন, পাঁচটা গরু এনেছিলাম। এখনো দুইটা বিক্রি করতে পারিনি। মানুষ দাম বলতেছে না। কী হবে কিছু বুঝতেছি না।
আরেক বিক্রেতা জানান, শেষ সময়ে এসে কম দামে পশু বিক্রি করতে হতে পারে—এমন শঙ্কা কাজ করছে তাদের মধ্যে। তিনি বলেন, খরচ অনেক। পরিবহন, খাবার, শ্রমিক—সব মিলিয়ে ব্যয় বেড়েছে। এখন যদি পশু থেকে যায় বা কম দামে বিক্রি করতে হয়, তাহলে লাভ থাকবে না।
হাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শেষ সময় হওয়ায় রাতভর বেচাকেনা চলতে পারে। বৃষ্টিজনিত দুর্ভোগ কমাতে কিছু স্থানে অস্থায়ী মাচা ও পলিথিন কভারিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরও হাটে সক্রিয় দেখা গেছে। জাল টাকা, প্রতারণা ও বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে বিভিন্ন হাটে টহল জোরদার করা হয়েছে।
এবার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় মোট ২৭টি পশুর হাট বসেছে। এর মধ্যে ডিএসসিসি এলাকায় ১১টি এবং ডিএনসিসি এলাকায় ১৬টি হাট রয়েছে।