মঙ্গলবার, ১২ই মে ২০২৬, ২৮শে বৈশাখ ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে চায় সরকার। এজন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ৫০ ভাগে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
মঙ্গলবার (৮ মার্চ) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরে বাংলাদেশের অন্যতম অর্জন লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে নারীর ক্ষমতায়নের পথে এগিয়ে থাকার উল্লেখযোগ্য সাফল্য লাভ। এ বিষয়ে বাংলাদেশের স্থান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার উপরে। কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশ্বের সব দেশের উপরে বাংলাদেশের স্থান।
শিক্ষা ক্ষেত্রে দেশে নারীর অগ্রযাত্রার পরিসংখ্যান তুলে ধরে দীপু মনি বলেন, ব্যানবেইসের বাংলাদেশ এডুকেশন স্ট্যাটিসটিকস ২০২০ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী মাধ্যমিক পর্যায়ে মোট শিক্ষার্থী ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ নারী, উচ্চমাধ্যমিকে ৫০ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ৩৫ দশমিক ২১ শতাংশ শিক্ষার্থী মেয়ে। মাদরাসা শিক্ষা পর্যায়ে মোট ৫৫ দশমিক ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী নারী।
নারী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট হতে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে অগ্রাধিকারভিত্তিতে ৭৫ শতাংশ নারী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের মাধ্যমে ২০১২-১৩ থেকে ২০২০-২১ অর্থবছর পর্যন্ত স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে ৯ লাখ ৭১ হাজার ৮৭৩ জন নারী শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি বাবদ ৪৭৬ কোটি ২১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৭০০ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল পাঁচ নারীকে পুরস্কৃত করা হয়। এবার জয়িতা পদক-২০২২ পেয়েছেন মোছা. সানজিদা আক্তার শিমু, ড. হোসনে আরা আরজু, খোশনাহার বেগম, জেসমিন আক্তার এবং মোছা. রোকেয়া বেগম।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মহিলা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফরিদা পারভীন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ডা. আ.এ.মো. মহিউদ্দিন ওসমানী।
ডিএম/তাজা/২০২২