বৃহস্পতিবার, ২রা জুলাই ২০২৬, ১৮ই আষাঢ় ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
সাংবাদিকদের প্রতিনিয়ত লেখালেখি করতে হয়। লেখালেখি করাটাই পেশাগত জীবনের অংশ। সেই কবে থেকে এর সঙ্গে জড়িয়ে আছি তারপরও কেউ কোনো লেখার অনুরোধ জানালে একপ্রকার অস্থিরতায় পড়ে যাই, মনের মধ্যে একটা চাপ সৃষ্টি হয়। কথায় আছে, গাইতে গাইতে গায়েন। বছরের পর বছর একই কাজ করতে করতে পারদর্শী হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে সেটা হয়নি।
লিখতে গেলে আমি আজও প্রথম দিনগুলোর মতো দিশেহারা হয়ে যাই। লেখা কীভাবে শুরু করবো, কোন কোন বিষয় আলোকপাত করবো, কীভাবে সমাপ্তি টানবো, নির্ধারিত সময়ে লিখতে পারবো কিনা, তা নিয়ে ভেতরে ভেতরে দোলাচল চলতে থাকে।
তাছাড়া লেখার সময় কাঙ্ক্ষিত শব্দ খোঁজা এবং পরবর্তী বাক্য কী হবে, তা চট করে মাথায় না এলে এক ধরনের মানসিক স্থবিরতা তৈরি হয়। যে বিষয়ে লিখছি, সে সম্পর্কে যদি পরিষ্কার ধারণা বা পর্যাপ্ত তথ্য না থাকে, তাহলে গুছিয়ে লেখার চাপ বেড়ে যায়। লেখাটি অন্যের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে বা আদৌ মানসম্মত হচ্ছে কিনা, এ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তাও মানসিক দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। লেখালেখি করা অনেক বেশি কঠিন হলেও এটা অবশ্য আমার একার সমস্যা নয়।
যতটা জানি, প্রাচীন মেসোপটেমিয়ায় লেখালেখির সূচনাকাল থেকে এ যাবৎ মোটামুটিভাবে সব লেখককে এই দুশ্চিন্তার মুখোমুখি হতে হয়। কাউকে হয়তো কম, কাউকে বেশি। এটা তো খুবই স্বাভাবিক, লিখতে গেলে চিন্তা করতে হয়। সেই চিন্তাকে সুসংগঠিত, বাস্তব ও স্থায়ী রূপ দেওয়ার একটি দৃশ্যমান মাধ্যম হলো লেখা।
আমেরিকান ইতিহাসবিদ ও লেখক ডেভিড ম্যাককালোর মতে, ‘লেখা মানেই চিন্তা করা। ভালোভাবে লিখতে হলে স্পষ্টভাবে চিন্তা করতে হয়।’ কিন্তু শতাব্দীর পর শতাব্দী চলে আসা এই ধারণাটা কি ভিত্তিহীন হয়ে যাবে? কেননা, লেখার জন্য চিন্তা করা, মানসিক চাপে পড়া কিংবা নানান কসরত করার দিন বোধকরি ফুরিয়ে এসেছে।
এখন তো চাইলেও চট করে গরম চায়ের মতো যেকোনো লেখা প্রস্তুত হয়ে যায়। টাকার নোটে ‘চাহিবামাত্র ইহার বাহককে দিতে বাধ্য থাকিবে’ লেখার মতো নির্দেশ দেওয়া মাত্র লেখা উপস্থাপিত হয়। যে লেখাটি আমি এখন লিখছি, তার জন্য আমাকে কত ভাবনাচিন্তা করতে হচ্ছে, কত পরিশ্রম করতে হচ্ছে, কত সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।
আর একই বিষয় নিয়ে আরও আকর্ষণীয় ও হৃদয়গ্রাহীভাবে চোখের পলকে যদি লেখা হয়ে যায়, তা হলে তো আমাকে ঝক্কিঝামেলা পোহাতে হয় না। তাতে তো বোধকরি খুশি হওয়ার কথা। কিন্তু তার পরিবর্তে বুকের ওপর চেপে বসেছে ভারী এক পাথর। কেননা, মানুষ মূলত নিজের মনের ভাব প্রকাশ, আত্মতৃপ্তি ও সৃজনশীলতার তাগিদ থেকে লেখক হতে চায়।
নিজের চিন্তাভাবনা অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়াই লেখালেখির পেছনে প্রধান চালিকাশক্তি। লেখার বিষয় বা মান যা হোক না কেন, সেটা একান্তই নিজের লেখা। এই আত্মতৃপ্তি তো প্রধান বিবেচ্য বিষয়। এখন যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সে কাজটি করে দেয়, তাহলে আমার অস্তিত্ব কোথায় থাকে?
ফরাসি দার্শনিক রেনে দেকার্ত লিখেছেন, ‘আমি চিন্তা করি, তাই আমার অস্তিত্ব আছে।’ সেই অনুসারে চিন্তা ছাড়াই যদি লেখক হয়ে যেতে হয়, তাহলে কি নোবডি হয়ে যাবো না? প্রশ্ন হতে পারে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অনেক দ্রুত ও নিখুঁতভাবে লিখতে পারলেও আমি কেন লিখবো না? আমার লেখায় আমার মৌলিক চিন্তাধারা, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে ওঠে। এআই কেবল তথ্য ও ভাষার সমন্বয় করতে পারে, কিন্তু মানুষের জীবনের অভিজ্ঞতা ও আবেগ কি বুঝতে পারে?
তথাপিও পাঠকরা সাধারণত সহজ, সাবলীল ও আকর্ষণীয় গল্প বা তথ্যে ভরপুর ঝকঝকে ও স্মার্ট লেখা পছন্দ করেন। সমসাময়িক বাস্তবতার প্রতিফলন, শক্তিশালী শব্দচয়ন ও আবেগপূর্ণ বর্ণনা স্বাভাবিক কারণেই পাঠকদের বেশি মুগ্ধ করে। সে ক্ষেত্রে আমার লেখার চেয়ে এআই-এর লেখা আকর্ষণীয় ও তথ্যবহুল হলে পাঠক কেন আমার সাদামাটা লেখা পড়বে, এ ভাবনাটা পেয়ে বসেছে। আমি বা আমরা কি এআই-এর কাছে হেরে যাব?
বোধকরি সেটাই হতে চলেছে। কল্পনাকে বাস্তবের রঙে আঁকছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। এটি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এমন একটি শাখা, যার মাধ্যমে যন্ত্র বা সফটওয়্যারকে মানুষের মতো চিন্তা করতে, শিখতে ও সমস্যার সমাধান করতে শেখানো হয়। তা মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও জ্ঞানকে কৃত্রিমভাবে প্রযুক্তির সাহায্যে অনুকরণ করে। অর্থাৎ মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তাশক্তির যান্ত্রিক রূপ এআই। তথ্য বিশ্লেষণ, বোঝা ও সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নানা জটিল কাজ করতে পারে।
অন্য কিছুর কথা বাদ দিলেও লেখালেখি, অনুবাদসহ সৃজনশীল কাজে এআই রীতিমতো দঢ়। এআই টুলের মাধ্যমে বড় আকারের ডেটা বা প্রতিবেদন থেকে খুব দ্রুত খবরের সারাংশ তৈরি, অডিও বা ভিডিও সম্পাদনা এমনকি ব্যাকরণ সংশোধনের কাজ করা যায়। এআই অ্যালগরিদম ব্যবহার করে পাঠকদের পছন্দ, বয়স ও পড়ার অভ্যাসের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট খবর বা কনটেন্ট প্রদর্শিত হয়। ভুয়া খবর শনাক্ত করতে ও দ্রুত তথ্য যাচাই করতে এআইচালিত ফ্যাক্টচেকিং টুল বেশ কার্যকর।
এর পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অনুবাদ করার ক্ষেত্রেও এটি রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে। ডেটা বিশ্লেষণ ও অডিও-ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট বড় বড় ডেটাসেট থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা ধারণা খুঁজে বের করে। এছাড়াও টেক্সট থেকে অডিও এবং টেক্সট থেকে ছবি বা ভিডিও তৈরির জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি যুক্ত হয়েছে। আরও যে কত কিছু করা যায়! ইতিমধ্যে তার অসংখ্য নমুনা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।
আর গণমাধ্যম কী করে? পাঠক, দর্শক ও শ্রোতার কাছে সংবাদ, তথ্য, মতামত, বিনোদন পৌঁছে দেয়। মুদ্রণ মাধ্যম সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, বই-পুস্তিকা, সম্প্রচার মাধ্যম টেলিভিশন ও রেডিও বা বেতার, ডিজিটাল বা অনলাইন মাধ্যম ইন্টারনেট, নিউজ পোর্টাল, ব্লগ ও সামাজিক যোগাযোগ সংবাদ পরিবেশনের প্রধান উৎস। এই মাধ্যমগুলোও বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে যুক্ত হয়েছে। তাতে সময় সময় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন গণমাধ্যমে কর্মরতরা।
যাই হোক, তার সঙ্গে একটা পর্যায়ে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। কিন্তু এআই তো সব উলট পালট করে দিচ্ছে। মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে। তার সঙ্গে টেক্কা দেওয়া সত্যিকার অর্থেই কঠিন হয়ে পড়েছে। যে কাজ গণমাধ্যমের কর্মীরা মেধা দিয়ে, মনন দিয়ে, সৃজনশীলতা দিয়ে করে এত দিন করে এসেছেন, তা অবলীলায় করছে এআই। তাহলে কী হবে সৃজনশীল পেশা হিসেবে পরিচিত সাংবাদিকতার? হারিয়ে যাবে কি ক্রীড়া সাংবাদিকতা? তা তো হতে পারে না।
প্রকৃতপক্ষে ক্রীড়া সাংবাদিকতা আজ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। এআই এবং উন্নত বিশ্লেষণ পদ্ধতি যখন সর্বক্ষেত্রে বিভিন্ন শিল্পকে নতুন রূপ দিচ্ছে, তখন ক্রীড়াগণমাধ্যমও এর ব্যতিক্রম নয়। খেলাধুলার সংবাদ পরিবেশন, বিশ্লেষণ ও তা উপভোগ করার পদ্ধতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এআইচালিত কনটেন্ট, ভবিষ্যৎ বিশ্লেষণ এবং ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন টুল তথ্যপ্রাপ্তিকে আগের চেয়ে অনেক বেশি সহজ করে তুলেছে।
তবে এটাও মনে রাখতে হবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষেরই তৈরি। তবে এটি মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও দক্ষতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। মানুষের তৈরি এই প্রযুক্তিটি কিছু নির্দিষ্ট কাজে আমাদের চেয়ে দ্রুত ও নিখুঁত হলেও সামগ্রিকভাবে মানবিক বুদ্ধিমত্তা, আবেগ ও সৃজনশীলতার কাছে এটি এখনো অনেক পিছিয়ে আছে। তাই মানুষের পুরোপুরি হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। বরং সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে এটি ক্রীড়া সাংবাদিকতাকে আরও এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে।
বিশাল পরিমাণ ডেটা বিশ্লেষণ বা জটিল হিসাব-নিকাশে এআই মানুষের চেয়ে অনেক দ্রুত ও নির্ভুল। কিন্তু এআই নতুন কিছু তৈরি করতে পারলেও মানুষের গভীর অনুভূতি, সহানুভূতি, নৈতিকতা ও স্বতঃস্ফূর্ত সৃজনশীলতা তার নেই। মানুষ যেকোনো নতুন ও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির সঙ্গে খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে, যা এআইয়ের জন্য অত্যন্ত কঠিন।
সে ক্ষেত্রে ক্রীড়া সাংবাদিকদের মূল কাজ হতে পারে এআই-কে নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রযুক্তির এই বিপ্লবকে কাজে লাগানো। প্রাথমিক অবস্থায় আপসরফা করে বিদ্যমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করাটাই শ্রেয়।
এআই-এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানুষের সক্ষমতা হলো বুদ্ধিমত্তা, কাণ্ডজ্ঞান, উন্নত শিক্ষা, নতুন দক্ষতা অর্জন ও নৈতিকতা। এআই টুলগুলো প্রতিপক্ষ না ভেবে সহযোগী হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজন হবে ডেটা বিশ্লেষণ, বিষয়টি সম্পর্কে গভীরভাবে ওয়াকিবহাল হওয়া ও প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনার মতো নতুন দক্ষতা অর্জন।
মানবিকতা, সৃজনশীলতা, জটিল সমস্যা সমাধান ও চিন্তা করার ক্ষমতা এআইয়ের নেই। তাই এসব ক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। এআই থেকে পাওয়া যেকোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করে তারপর গ্রহণ, ব্যক্তিগত ডেটা বা তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এআই-এর অপব্যবহার রোধে সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো ও নীতিমালা মেনে চলা অপরিহার্য।
এআই যুগে ক্রীড়া সাংবাদিকতার গন্তব্য কী হবে, তা এখনই সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। প্রচলিত ধারা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। নিছক ম্যাচের স্কোর বা তথ্য জানানোর গতানুগতিক ধারার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সুযোগ নেই। গভীর বিশ্লেষণ, আবেগঘন প্রতিবেদন এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাই হতে পারে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার উত্তম উপায়।
এআই দ্রুত তথ্য ও পরিসংখ্যান তৈরি করতে পারলেও ক্রীড়া সাংবাদিকদের মতো খেলার নেপথ্যের ঘটনা ও পরিপ্রেক্ষিত তুলে ধরতে পারে না। পারে না ক্রীড়াবিদদের সাক্ষাৎকার নিতে কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মনোভাব অনুধাবন করতে। ম্যাচের ভেতরের ঘটনা, আবেগ, খেলোয়াড়দের মানসিক চাপ বা কৌশলগত সূক্ষ্ম বিষয়গুলো এআই সহজে বুঝতে পারে না। এই গভীর বিশ্লেষণ ও সৃজনশীল বর্ণনা দেওয়ার কাজটি ক্রীড়া সাংবাদিকরাই ভালো পারেন।
এআই রুটিন ওয়ার্ক যেমন ম্যাচের রিপোর্ট তৈরি, স্কোর আপডেট ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের কাজ করতে পারবে। এটি সাংবাদিকদের সময় বাঁচিয়ে জটিল বিষয় নিয়ে কাজ করার সুযোগ করে দেবে। এআই কেবল সংখ্যা বোঝে, কিন্তু মাঠের উত্তেজনা, খেলোয়াড়ের আবেগ বা সমর্থকদের অনুভূতি বুঝতে মানবীয় অভিজ্ঞতার বিকল্প নেই। এই আবেগের বিষয়গুলোই সাংবাদিকতার মূল পুঁজি হতে পারে।
ম্যাচ ফিক্সিং, অনিয়ম, দুর্নীতি বা খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত জীবনের অজানা দিক উন্মোচন করতে পারেন মাঠের সাংবাদিকরা। এ আঙিনায় এখন পর্যন্ত এআই প্রবেশ করতে পারেনি।
মাল্টিমিডিয়া ও ইন্টারঅ্যাক্টিভ কনটেন্ট অর্থাৎ পডকাস্ট, ভিডিও ডকুমেন্টারি ও ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে দর্শক, শ্রোতাদের নতুন অভিজ্ঞতায় খেলা উপভোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। যোগ হচ্ছে নিত্যনতুন প্রযুক্তি। নিজেকে হালনাগাদ রাখতে এ বিষয়ে ক্রীড়া সাংবাদিকদের দক্ষতা অর্জন করা ছাড়া গত্যন্তর নেই।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলতে গেলে একদমই প্রাথমিক অবস্থায় আছে। শুরুটা যদি এমন হয়, আগামীতে কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে, তা বোঝা যাচ্ছে না। সেটা যে অনেক বেশি কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং হবে, এটুকু অন্তত অনুধাবন করা যায়। তবে যা কিছু হোক না কেন, মানুষের মেধা, উদ্যম ও উদ্যোগের সঙ্গে তার পারার কথা নয়। প্রযুক্তির দক্ষতা যত বেশি হোক, তা তৈরি করেছে মানুষ এবং তাকে নিয়ন্ত্রণ করবে মানুষ। তাই নয় কি?
দুলাল মাহমুদ : ক্রীড়ালেখক ও গবেষক