বুধবার, ১৭ই জুন ২০২৬, ৩রা আষাঢ় ১৪৩৩


ব্যাটিং বিপর্যয়ে চট্টগ্রামে ১৩১ রানে থামল বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:১৭ জুন ২০২৬, ১৫:৪৩

ছবি ‍: সংগৃহীত

ছবি ‍: সংগৃহীত

নতুন অধিনায়ক, নতুন প্রত্যাশা; কিন্তু ব্যাট হাতে সেই স্বপ্নের শুরুটা রাঙাতে পারল না বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভালো সূচনা পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি টাইগার ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ইনিংসের মাঝপথেই চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তাতে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ হওয়ার আগেই সব উইকেট হারিয়ে ১৩১ রানে থামে বাংলাদেশ।

চট্টগ্রামে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ১৩তম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ব্যাট হাতে শুরুটা মন্দ হয়নি টাইগারদের। তবে তানজিদ তামিমের ক্যাচ অনুশীলনে ২৬ রানের মাথায় ভাঙে ওপেনিং জুটি। ৯ বলে ১০ রান করে বিদায় নেন এই ওপেনার।

তামিমের বিদায়ের দুই ওভার পরেই প্যাভিলিয়নে ফিরেন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ব্যর্থ এই ডানহাতি ব্যাটার। স্পিনার রেনশোর বলে মুখস্থ শট খেলতে গিয়ে তিনিও মিডঅফে সহজ ক্যাচ দেন। আউট হওয়ার আগে ১৪ বলে করেছেন ২০ রান।

দুই ওপেনারের বিদায়ের পর মাঠে নামেন নতুন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ছক্কা হাঁকিয়ে নেতৃত্বের যাত্রা শুরু করেছিলেন এই ব্যাটার। কিন্তু অ্যাডাম জাম্পার গুগলিতে ৮ রানে বোল্ড হয়ে ফিরেন তিনি। হৃদয়ের পর সৌম্যকেও আউট করেন জাম্পা। চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে ১৮ বলে ১৭ রান করেছেন এই ব্যাটার।

পাঁচে নাম ইমনও বেশি দূর যেতে পারেননি। উচ্চবিলাসী শট খেলতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দেন এই ব্যাটার। তাতে ৭৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ১০০ এর আগে ইনিংস শেষের শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ। আশঙ্কার মেঘটা আরও ঘনীভূত করেন শামীম পাটোয়ারী। তার বাজে শটে ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারায় টাইগাররা।

আচমকা উইকেট হারানোর মিছিলে ছক্কা হাঁকিয়ে বাংলাদেশকে আশার পথ দেখান অভিষিক্ত সাকলাইন। কিন্তু এক ছক্কাতেই থেমে যায় তার ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসে। ১০ বলে ১০ রান করে বিদায় নেন এই অলরাউন্ডার। সাকলাইনের বিদায়ের পরে ৩ রান করে ডাগ আউটে ফেরেন রিশাদও। তাতে ১০০ রানের আগেই ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়