বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন ২০২৬, ১১ই আষাঢ় ১৪৩৩
ফাইল ছবি
মাত্র কয়েক দিন আগেই ইতিহাস গড়েছিলেন ইলন মাস্ক। স্পেসএক্সের শেয়ারবাজারে যাত্রা শুরুর পর বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। তবে সেই রেকর্ড বেশিদিন ধরে রাখতে পারেননি বিশ্বের অন্যতম ধনী এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা।
শেয়ারবাজারে প্রতিষ্ঠানের মূল্য ওঠানামার কারণে কমেছে মাস্কের মোট সম্পদের হিসাব। এখন তিনি আর ট্রিলিয়নিয়ার নন; ফিরে গেছেন কয়েক শ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের তালিকায়।
সম্প্রতি স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির মূল্য দ্রুত বেড়ে যায়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে ইলন মাস্কের সম্পদের ওপর। একপর্যায়ে তার সম্পদের পরিমাণ এক ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা ছাড়িয়ে যায়।
এই সাফল্যের পর এক বক্তব্যে মাস্ক বলেন, তার লক্ষ্য শুধু মহাকাশ প্রযুক্তি উন্নয়ন নয়। মানুষকে চাঁদ, মঙ্গল গ্রহ এবং ভবিষ্যতে আরও দূরের মহাকাশে পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন দেখেন তিনি। কিন্তু শেয়ারবাজারের হিসাব সব সময় স্থির থাকে না। কোনো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর বাড়লে যেমন সম্পদ বাড়ে, তেমনি কমলেও কমে যায়।
ব্লুমবার্গের ধনীদের তালিকা অনুযায়ী, স্পেসএক্সের শেয়ারমূল্যের পরিবর্তনের কারণে মাস্কের সম্পদের পরিমাণও কমেছে। তবে সম্পদ কমলেও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় এখনো শীর্ষ সারিতেই রয়েছেন তিনি।
ইলন মাস্ক বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা, মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক প্রযুক্তি উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত।
বিশ্লেষকদের মতে, মাস্কের সম্পদের বড় অংশই নগদ অর্থ নয়; বরং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মালিকানার ওপর নির্ভরশীল। তাই শেয়ারবাজারের ওঠানামার সঙ্গে তার সম্পদের হিসাবও দ্রুত পরিবর্তন হয়।
স্পেসএক্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, মহাকাশ অভিযান এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্যোগ ঘিরে ইলন মাস্ককে নিয়ে আগ্রহ অব্যাহত রয়েছে। তবে ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে তার নতুন রেকর্ড এখন আপাতত অতীতের একটি অধ্যায় হয়ে থাকল।