মঙ্গলবার, ৩০শে জুন ২০২৬, ১৬ই আষাঢ় ১৪৩৩


অস্ট্রেলিয়ার একটি স্কুলে মিলল ডাইনোসরের পায়ের ছাপ

রকমারি ডেস্ক

প্রকাশিত:১২ মার্চ ২০২৫, ০৫:২৮

ছবি সংগৃহীত

ছবি সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার একটি স্কুলের ভেতরে ধুলো জমে থাকা পাথরের একটি স্ল্যাবে জীবাশ্ম ডাইনোসরের পায়ের ছাপের সন্ধান পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় বুধবার বিজ্ঞানীরা এই তথ্য জানিয়েছে। যে পাথরে এই পায়ের ছাপ পাওয়া গেছে সেই পাথরটি আবিষ্কারের আগে ২০ বছর অলক্ষিতই ছিল।

কুইন্সল্যান্ডের গ্রামীণ ব্যানানা শায়ারের স্কুলটিতে এই পাথর পাওয়া যায়।

কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবাশ্মবিদ অ্যান্থনি রোমিলিওকে তিন-আঙ্গুলের ছাপগুলো পরীক্ষা করেছেন।

তিনি বলেন, এক বর্গমিটারেরও কম ক্ষেত্রফলের স্ল্যাবে ৬৬টি পৃথক পায়ের ছাপ পাওয়া গেছে। এগুলো অ্যানোমোইপাস স্ক্যাম্বাস নামক একটি ডাইনোসরের ছিল। একটি ছোট এবং মোটা উদ্ভিদ ভক্ষক যে দুই পায়ে হাঁটত।

রোমিলিও এবং গবেষকদের একটি দল তাদের গবেষণার ফলাফল পিয়ার-রিভিউ জার্নাল হিস্টোরিক্যাল বায়োলজিতে প্রকাশ করেছেন।
রোমিলিও বলেছেন, স্ল্যাবটিতে প্রায় ২০ কোটি বছর আগে জুরাসিক যুগের কয়েক ডজন জীবাশ্ম পায়ের ছাপ ছাপ ছিল। তিনি বলেন, এটি প্রমাণ করে যে, ‘এটি অস্ট্রেলিয়ায় নথিভুক্ত ডাইনোসরের পায়ের ছাপের সর্বোচ্চ ঘনত্বের একটি’।

কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রোমিলিও বলেন, এটি ডাইনোসরের গতিবিধি এবং আচরণের এক অভূতপূর্ব চিত্র।

যখন অস্ট্রেলিয়ায় কোনো জীবাশ্মযুক্ত ডাইনোসরের হাড় পাওয়া যায়নি। এই ধরণের গুরুত্বপূর্ণ জীবাশ্ম বছরের পর বছর ধরে অলক্ষিত থাকতে পারে, এমনকি স্পষ্ট দৃষ্টিতেও। এটা ভাবতেই অবাক লাগে যে, ইতিহাসের এক অংশ এতদিন স্কুলের উঠোনে শুয়ে ছিল।
২০০২ সালে কয়লা খনি শ্রমিকরা স্ল্যাবটি খনন করে এবং অস্বাভাবিক পায়ের ছাপ দেখতে পেয়ে এটি ছোট শহর বিলোয়েলার একটি স্কুলে উপহার দেয় এবং এটি প্রবেশপথে প্রদর্শিত হয়। গবেষকরা এলাকায় আবিষ্কৃত কোন ডাইনোসরের জীবাশ্মের জন্য জিজ্ঞাসা শুরু না করা পর্যন্ত পাথরটি সেখানেই ছিল।

রোমিলিও বলেন, কিছু শিক্ষক মনে করেছিলেন এটি আসল জিনিসের চেয়ে বরং একটি প্রতিরূপ। সবাই আসলে বুঝতে পারেনি যে তাদের কাছে আসলে কী আছে।

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়