মঙ্গলবার, ২৩শে জুন ২০২৬, ৯ই আষাঢ় ১৪৩৩


কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন প্রথম সাক্ষী, ফের ২৯ জুন

আদালত প্রতিবেদক

প্রকাশিত:২৩ জুন ২০২৬, ১৬:০২

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ বিচারকার্য শুরু হয়।

ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ। তিনি এ মামলায় আনা আসামিদের অভিযোগ পড়ে শোনান। একইসঙ্গে সাক্ষীদের কিছু বর্ণনা দেন।

এরপর প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন এক কলেজছাত্র। তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশ নেন। তার সামনেই পুলিশের গুলিতে শহীদ হন মারুফ নামের একজন। তবে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাক্ষ্যগ্রহণ অসমাপ্ত রেখে আগামী ২৯ জুন পর্যন্ত মুলতবি রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, মঈনুল করিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

এদিকে, আজ সকালে কারাগার থেকে কামরুল ও মেননকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ৩০ এপ্রিল তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন উসকানি দিয়েছেন কামরুল ও মেনন। তারা আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার ও কারফিউ জারির প্ররোচনা দেন। তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে রাজধানীর বাড্ডাসহ আশপাশ এলাকায় ২৩ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়