মঙ্গলবার, ৩০শে জুন ২০২৬, ১৬ই আষাঢ় ১৪৩৩
ফাইল ছবি
ম্যাচের মতো ফল নির্ধারণী টাইব্রেকারেও নাটকীয়তার জন্ম দিলো মরক্কো-নেদারল্যান্ডস। স্নায়ুরক্ষার এই লড়াইয়ে উভয় দলই যেন একের পর এক মিসের মহড়ায় নেমেছিল। মরক্কো মিস করার পর একইভাবে ডাচরাও মিস করেছে। শেষ পর্যন্ত পাঁচটি করে শট নেওয়ার পর ৩-২ ব্যবধানে ডাচদের বিশ্বকাপ থেকে বিদায় জানাল মরক্কো।
পাঁচ মিস, এক হাতে ইয়াসিন বুনোর সেভ এবং বার্ট ভেরব্রুখেন ঠেকানোর পরেও লাইন ক্রস। অবিশ্বাস্য ও নাটকীয় এক পেনাল্টি শ্যুটআউটে ডাচদের বিদায় এবং মরক্কোর শেষ ষোলো নিশ্চিত হয়েছে। ৯০ মিনিট এবং এরপর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে স্কোরলাইন ১–১ থাকায় খেলা গড়িয়েছিল টাইব্রেকারে।
যেখানে টানা প্রথম শটে গোল করেন নেদারল্যান্ডসের টিউন কুপমেইনার্স। পরের দুটি শটে মিস করেন মরক্কোর নেইল এল আয়নাউয়ি এবং ডাচ ফরোয়ার্ড জাস্টিন ক্লাইভার্ট। সুফিয়ান রাহিমি সমতায় ফেরান মরক্কোকে। নিজেদের তৃতীয় শটে দ্বিতীয় গোল পায় নেদারল্যান্ডসও, দিয়েছেন ভাউট ভেগহোর্স্ট। এরপর শেমসদিন তালবির গোলে মরক্কোকে ফের সমতায় ফেরানোর পর ডাচদের পক্ষে বাইরে শট মেরে বসেন কুইন্টেন টিম্বার্স।
গোলপোস্টে শট নিয়ে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি নাটকীয়তার জন্ম দেন। এরপর বুনো ঠেকিয়ে দেন সামারভিলের শট। তবে নিজেদের পঞ্চম ও শেষ শটে ইসমায়েল সাইবারি আর ভুল করেননি। গোল দিয়েই জার্সি খুলে বুনো উল্লাসে মেতেছেন। এর আগে ম্যাচের অচলায়তন ছিল ৭২ মিনিট পর্যন্ত। কোডি গাকপো গোল করে প্রথমে ডাচদের এগিয়ে দিয়েছিলেন। ৯১ মিনিটে ইসা দিওপ গোল করে ম্যাচে ফেরান মরক্কোকে।
ম্যাচটি অবশ্য টাইব্রেকার পর্যন্ত নেওয়ার অন্যতম দাবীদার ডাচ গোলরক্ষক বার্ট ভারব্রুগেন। ৯৬ মিনিটে তিনি মরক্কো ফরোয়ার্ড সুফিয়ান রাহিমি ‘পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জ’ থেকে দুর্দান্ত প্রচেষ্টায় প্রায় নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দিয়েছেন। অন্যথায় টাইব্রেকারের আগেই জয়োল্লাসে মাতত আশরাফ হাকিমির দল। এর আগে ম্যাচজুড়ে উভয় দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে গেলেও কেউ ডেডলক ভাঙতে পারছিল না। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে গাকপোর গোলে।