বৃহস্পতিবার, ২১শে মে ২০২৬, ৭ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ক্ষতি মেনে নিয়ে শোকের মধ্যে থাকাটা জরুরি : আমির খান

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:২১ মে ২০২৬, ১৫:৪০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

বলিউড ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ আমির খানের সময়টা বেশ কিছুদিন ধরেই ভালো যাচ্ছে না। ক্যারিয়ারের খরা যেন পিছু ছাড়ছে না তার। গত কয়েক বছর ধরে একের পর এক ব্যর্থতার মুখে পড়ছেন এই অভিনেতা ও প্রযোজক। অভিনয় হোক কিংবা প্রযোজনা কোনো কিছু দিয়েই দর্শকহৃদয়ে আগের মতো দাগ কাটতে পারছেন না তিনি।

সেই ব্যর্থতার তালিকায় নতুন যুক্ত হলো আমিরের ছেলে জুনেইদ খানের সিনেমা ‘এক দিন’। গত ১ মে মুক্তি পাওয়া এই ছবিতে জুনেইদের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবী। বড় পর্দায় জুনেইদ-সাই পল্লবীর অভিনয় আমির খানের মন জয় করলেও, দর্শক তা গ্রহণ করেনি। দুজনের রসায়ন জমেনি পর্দায়। ফলস্বরূপ, মুক্তির মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায় প্রেক্ষাগৃহ থেকে বিদায় নেয় ছবিটি।

নিজের সিনেমার একের পর এক ব্যর্থতার পর আমির আশা করেছিলেন, ছেলের ছবি দিয়ে হয়তো সুদিন ফিরবে। কিন্তু সেখানেও জুটল চরম হতাশা। আর এই ব্যর্থতাকে ‘সন্তান হারানোর বেদনা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন আমির খান। কারণ, প্রতিটি সিনেমাকে তিনি নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছবির এই ভরাডুবি নিয়ে মুখ খুলেছেন আমির। সিনেমার ব্যর্থতার দায় নিজের কাঁধেই নিয়ে তিনি বলেন, ‘যখন আমার কোনো সিনেমা চলে না, আমি দুই-তিন মাসের জন্য চরম হতাশায় ডুবে যাই। একটি সিনেমা তো সন্তানের মতোই।’

ক্ষতি ও দুঃখকে আড়াল না করে তা মেনে নেওয়ার ওপর জোর দিয়ে আমির আরও বলেন, ‘যখন ছবি চলে না বা মানুষ যখন তা প্রত্যাখ্যান করে, তখন সেটা ভীষণ বেদনাদায়ক। আমার মনে হয়, ক্ষতি মেনে নিয়ে শোকের মধ্যে থাকাটা জরুরি। সিনেমা ফ্লপ হওয়া মানে সন্তান হারানোর মতো কষ্ট পাওয়া। আমি মনে করি, সেই কঠিন সময়ে কাঁদা উচিত, নিজেকে সময় দেওয়া উচিত; যাতে কষ্টটা মন থেকে ধুয়ে-মুছে বেরিয়ে যায় এবং মানুষ হিসেবে আপনাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।’

আমির খান জানান, কিছু সিনেমার প্রথম ঝলক (টিজার বা ট্রেলার) দেখেই তিনি বুঝতে পারেন সেটি দর্শক পছন্দ করবেন কি না। তবে জুনেইদের এই ছবিটির গল্প তার বেশ ভালো লেগেছিল। ভেবেছিলেন, দর্শক ছবিটি ভালোবাসবেন। কিন্তু বক্স অফিসের রূঢ় সমীকরণ আমিরের সেই আশাটুকুও পূরণ হতে দিল না।

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন

সর্বশেষ

জনপ্রিয়