বুধবার, ১৩ই মে ২০২৬, ৩০শে বৈশাখ ১৪৩৩
ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বর্তমান সরকারের তৃতীয় ও চলতি অর্থবছরের ১১ম জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা।
বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আজকের বৈঠকে দেশের অবকাঠামো ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৬টি বড় প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা। অবকাঠামো উন্নয়ন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্যপ্রযুক্তি, স্থানীয় সরকার, বিদ্যুৎ ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্পগুলো প্রস্তুত করেছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। পরিকল্পনা কমিশনের প্রস্তুত করা একনেক নোটিশে এসব তথ্য জানা গেছে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের একনেক সভায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে অবকাঠামো ও সংযোগ উন্নয়ন খাত। পাশাপাশি পানি ব্যবস্থাপনা, নদী রক্ষা, নগর সেবা সম্প্রসারণ এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নেও বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রস্তাব করা হয়েছে।
সভায় উপস্থাপিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে—চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী, গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী, জেলা শহরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলোকে ৩০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও পুনর্নির্মাণ প্রকল্প।
এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ডাটাসেন্টার ও উপজেলা-থানা পর্যায়ের নির্বাচন কার্যালয় নির্মাণ প্রকল্প, হাই-টেক সিটি-২ এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনী, সরকারি শিশু পরিবার ও ছোটমণি নিবাস নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীও উঠেছে একনেকে।
অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে— বিমসটেক সচিবালয়ের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্প, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ প্রকল্প, সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে চারটি এসএম ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প, চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পের চতুর্থ সংশোধনী এবং পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়।
উল্লেখযোগ্য আরও প্রকল্প হচ্ছে— বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন, বৃহত্তর যশোর জেলার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও সেচ এলাকা উন্নয়ন, সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ, মাদারীপুর-শরীয়তপুর-রাজবাড়ী জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ঘোড়াশাল থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প।